দুর্গা Diaries -২
বৈশাখ হৈল আগো মোরে বড়ো বিষ। মাংস নাহি খায় সর্ব লোক নিরামিষ।।" পাপিষ্ঠ জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রচণ্ড তপন। খরতর পোড়ে অঙ্গ রবির কিরণ।।" আষাঢ়ে পুরল মহী নব মেঘদলে। একত্র হইয়া মৃগ না নিকলে কুলে।।" শ্রাবণ ঘন ঘন বরিষে হরষি। বড়ুশ পাতার ঘরে রহি একাদশী।।" ভাদ্র মাসে নদীকূল টলমল করে। অভাগী ফুল্লরা ভাসে নয়ন-নীরে।।" আশ্বিন শারদ কাল শরত বিহান। পূজা লয়ে সুখী সর্ব লোক ভাগ্যবান।।" - ফুল্লোরার বারোমস্য, এই পাঁচালী কার লেখা, আজকালকার " বিদ্যাগজগজ ধনুর্ধর" দের জিজ্ঞেস করে বিব্রত করব না। আসলে ঠাকুমার ঝুলি তে ব্যবহৃত এই শব্দ যুগল ব্যবহার করার লোভ সম্বরণ করতে পারলুম না। তাই আমার reel প্রেমী নব্য পাঠক পাঠিকাকে প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে আমার এই ব্লগ বিমুখ করতে চাই না। লেখার প্রথমে প্রশ্ন অনেকাংশে বাঙালি পাতে শুরুতে শুক্তর মত; এপেটাইজার ! পরে কী আসছে তার কৌতূহল উদ্রেক করে। এবার main course এ আসা যাক। আমার সিনিয়রদের অসীম কৃপায়, আজকে নবমীর দিনেও আমার সরকারি কর্তব্য পালন। আমার অবস্থা ওই ফুল্লোরার মত, শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সাইক্লোন বন্যা সবেতেই আমি মেদিনীপুরে শালগ...